BG 2.66 — সাংখ্য যোগ
BG 2.66📚 Go to Chapter 2
नास्तिबुद्धिरयुक्तस्यचायुक्तस्यभावना|चाभावयतःशान्तिरशान्तस्यकुतःसुखम्||२-६६||
নাস্তি বুদ্ধিরয়ুক্তস্য ন চায়ুক্তস্য ভাবনা | ন চাভাবয়তঃ শান্তিরশান্তস্য কুতঃ সুখম্ ||২-৬৬||
नास्ति: not is | बुद्धिरयुक्तस्य: knowledge (of the Self) | न: not | चायुक्तस्य: and | भावना: meditation | न: not | चाभावयतः: and | शान्तिरशान्तस्य: peace | कुतः: whence | सुखम्: happiness
GitaCentral বাংলা
অযুক্ত ব্যক্তির আত্মজ্ঞান হয় না, এবং অযুক্তের ধ্যানশক্তি হয় না; ধ্যানরহিত ব্যক্তির শান্তি হয় না, এবং অশান্ত ব্যক্তির সুখ কোথায়?
English
Swami Gambirananda
Swami Adidevananda
Hindi
Swami Ramsukhdas
Sanskrit
Sri Ramanuja
Sri Madhavacharya
Sri Anandgiri
Sri Jayatirtha
Sri Abhinav Gupta
Sri Madhusudan Saraswati
Sri Sridhara Swami
Sri Dhanpati
Vedantadeshikacharya Venkatanatha
Sri Purushottamji
Sri Neelkanth
Sri Vallabhacharya
Detailed Commentary
**২.৬৬:** যার মন ও ইন্দ্রিয়গুলি সংযত নয়, তার কোনো দৃঢ়সংকল্পযুক্ত বুদ্ধি (ব্যবসায়াত্মিকা বুদ্ধি) থাকে না; আর দৃঢ়সংকল্পযুক্ত বুদ্ধি না থাকলে কর্তব্যনিষ্ঠার ভাবও জন্মায় না। এমন ভাবনা না থাকলে শান্তি লাভ হয় না। তখন, যে ব্যক্তি শান্তিহীন, তার সুখলাভ কেমন করে সম্ভব? **ভাষ্য:** [এখানে আলোচ্য বিষয় কর্মযোগ। কর্মযোগে মন ও ইন্দ্রিয়ের সংযমই মুখ্য। বিবেকবর্জিত সংযম ছাড়া বাসনার বিনাশ হয় না। বাসনার বিনাশ না হলে বুদ্ধির স্থিরতা আসে না। তাই কর্মযোগ সাধকের প্রথমে মন ও ইন্দ্রিয় সংযত করা উচিত। তবে, এই শ্লোকটি সেই ব্যক্তির কথা বলছে যার মন ও ইন্দ্রিয় সংযত নয়।] *'ন অস্তি বুদ্ধির অযুক্তস্য'* — যার মন ও ইন্দ্রিয় সংযত নয়, এমন অসংযত (অসংযমী) ব্যক্তির দৃঢ়সংকল্পযুক্ত বুদ্ধি থাকে না — "আমাকে কেবলই ঈশ্বর-প্রাপ্তিই লাভ করতে হবে" এই দৃঢ় প্রত্যয় (দ্রষ্টব্য টীকা ১০৩.১)। কারণ হলো, অসংযত মন ও ইন্দ্রিয় নিয়ে সে জাগতিক ভোগ ও সম্পদে মগ্ন থাকে, যা জন্ম ও ধ্বংসের অধীন। কখনো সে মান-সম্মান কামনা করে, কখনো সুখ ও আরাম, কখনো ধন-সম্পদ, কখনো ইন্দ্রিয়সুখ — এভাবে তার মধ্যে নানা প্রকার বাসনা বিরাজ করে। তাই তার বুদ্ধি একাগ্র সংকল্পযুক্ত হয় না। *'ন চ অযুক্তস্য ভাবনা'* — যার দৃঢ়সংকল্পযুক্ত বুদ্ধি নেই, তার এই ভাবনা থাকে না: "আমাকে কেবল আমার কর্তব্য সম্পাদন করতেই হবে এবং ফলকামনা, আসক্তি, লালসা ইত্যাদি ত্যাগ করতেই হবে।" এমন ভাবনার অভাবের কারণ হলো নির্দিষ্ট লক্ষ্যের অভাব। *'ন চ অভাবয়তঃ শান্তিঃ'* — যে ব্যক্তি নিজ কর্তব্যে নিষ্ঠাবান নয়, সে শান্তি লাভ করতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো সাধু, শিক্ষক, ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র প্রভৃতি নিজ নিজ কর্তব্যে যত্নবান না হন, তবে তারা শান্তি লাভ করেন না। কারণ হলো, নিজ কর্তব্য পালনে দৃঢ়তার অভাবই অশান্তির সৃষ্টি করে। *'অশান্তস্য কুতঃ সুখম্'* — যে ব্যক্তি অশান্ত, তার সুখলাভ কেমন করে সম্ভব? কারণ হলো, তার হৃদয়ে সর্বদা অস্থিরতা বিরাজ করে। বাহ্য জগৎ থেকে সে যদি সবচেয়ে অনুকূল ভোগসামগ্রীও লাভ করে, তবু তার হৃদয়ের অস্থিরতা দূর হয় না, অর্থাৎ সে সুখী হতে পারে না। **সংশ্লেষ:** অসংযত ব্যক্তির বুদ্ধিতে দৃঢ় সংকল্পের অভাবের কারণ পরবর্তী শ্লোকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।