BG 2.21 — সাংখ্য যোগ
BG 2.21📚 Go to Chapter 2
वेदाविनाशिनंनित्यंएनमजमव्ययम्|कथंपुरुषःपार्थकंघातयतिहन्तिकम्||२-२१||
বেদাবিনাশিনং নিত্যং য এনমজমব্যযম্ | কথং স পুরুষঃ পার্থ কং ঘাতয়তি হন্তি কম্ ||২-২১||
वेदाविनाशिनं: knows | नित्यं: eternal | य: who | एनमजमव्ययम्: this (Self) | कथं: how | स: he (that) | पुरुषः: man | पार्थ: O Partha (son of Pritha) | कं: whom | घातयति: causes to be slain | हन्ति: kills | कम्: whom
GitaCentral বাংলা
হে পার্থ! যে পুরুষ এই আত্মাকে অবিনাশী, নিত্য ও অব্যয়রূপে জানে, সে কীভাবে কাউকে বধ করাবে এবং কীভাবে কাউকে বধ করবে?
🙋 বাংলা Commentary
শব্দার্থ: বেদ - যে জানে, অবিনাশিনম্ - অবিনাশী, নিত্যম্ - শাশ্বত, যঃ - যে, এনম্ - এই আত্মাকে, অজম্ - জন্মহীন, অব্যয়ম্ - ক্ষয়হীন, কথম্ - কীভাবে, সঃ - সে, পুরুষঃ - মানুষ, পার্থ - হে অর্জুন, কম্ - কাকে, ঘাতয়তি - হত্যা করায়, হন্তি - হত্যা করে। ব্যাখ্যা: যে জ্ঞানী পুরুষ এই অবিনাশী ও শাশ্বত আত্মাকে নিজের আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জানেন, তিনি কখনোই কোনো হিংসা করতে পারেন না। তিনি অন্য কাউকে দিয়েও হিংসা করাতে পারেন না।
English
Swami Gambirananda
Swami Adidevananda
Hindi
Swami Ramsukhdas
Sanskrit
Sri Ramanuja
Sri Madhavacharya
Sri Anandgiri
Sri Jayatirtha
Sri Abhinav Gupta
Sri Madhusudan Saraswati
Sri Sridhara Swami
Sri Dhanpati
Vedantadeshikacharya Venkatanatha
Sri Purushottamji
Sri Neelkanth
Sri Vallabhacharya
Detailed Commentary
২.২১. হে পাৰ্থ, যি ব্যক্তি এই দেহধাৰী আত্মাকে অবিনাশী, নিত্য, অজ ও অবিকাৰী জানে, সে কাহাকেও বধ করে কিংবা কাহাকেও বধ করায় কেমন করিয়া? ভাষ্য: অর্থ— "বেদাবিনাশিনং... ঘাতয়তি হন্তি কম"— যিনি সত্যরূপে উপলব্ধি করেন যে এই দেহধাৰী আত্মা কখনও ধ্বংস হয় না, কোনও পরিবর্তন undergoes না, জন্মগ্রহণ করে না এবং কোনও প্রকার ক্ষয়ও suffers না— এমন ব্যক্তি কাহাকেও হত্যা করেন বা কাহাকেও হত্যা করান কেমন করে? অর্থাৎ, এমন ব্যক্তির অপরকে হত্যা করিবার বা করাইবার কোনও প্রবৃত্তিই থাকিতে পারে না। তিনি কোনও কর্মের কর্তাও হইতে পারেন না, কোনও কর্মের প্ররোচকও হইতে পারেন না। এখানে দেহধাৰী আত্মাকে অবিনাশী, নিত্য, অজ ও অবিকারী বলিয়া বর্ণনা করিয়া প্রভু ইহার ভিতরকার ছয়টি বিকার (বিকার)কে নিষেধ করিয়াছেন। যেমন, 'অবিনাশী' বলিয়া মৃত্যুরূপ বিকারকে নিষেধ করিয়াছেন; 'নিত্য' বলিয়া অবস্থান্তর ও বৃদ্ধিরূপ বিকারকে নিষেধ করিয়াছেন; 'অজ' বলিয়া জন্ম ও জন্মান্তরীণ অবস্থারূপ বিকারকে নিষেধ করিয়াছেন; এবং 'অবিকারী' বলিয়া ক্ষয়রূপ বিকারকে নিষেধ করিয়াছেন। দেহধাৰী আত্মাতে কোনও কর্মবশতঃ বিন্দুমাত্রও বিকার ঘটে না। "ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে" (শরীর নিহত হইলেও ইহা নিহত হয় না) এবং "কং ঘাতয়তি হন্তি কম" (কাহাকেও বধ করে কিংবা কাহাকেও বধ করায়) এই বাক্যদ্বয়ের দ্বারা প্রভুর অভিপ্রায় যদি কেবল আত্মার কর্তৃত্ব বা কর্মের বিষয় হওয়াকে নিষেধ করাই হইত, তবে এখানে করণীয় ও অকরণীয়ের পরিবর্তে হত্যা ও হত হওয়ার কথা বলা হইল কেন? উত্তর এই যে, যুদ্ধের প্রসঙ্গ চলিতেছে বলিয়া এখানে এই কথা বলা অত্যাবশ্যক যে, দেহধাৰী আত্মা যুদ্ধে হন্তা হয় না, কারণ ইহাতে কর্তৃত্ব নাই। দেহধাৰী আত্মা যখন হন্তা অর্থাৎ কর্তা হইতেই পারে না, তখন হত অর্থাৎ কর্মের বিষয় কেমন করিয়া হইতে পারে? অভিপ্রায় এই যে, এই দেহধাৰী আত্মা কোনও কর্মের কর্তাও নয়, বিষয়ও নয়। অতএব হত্যা ও হত হওয়ার জন্য শোক করা উচিত নয়; বরং শাস্ত্রের বিধান অনুসারে হস্তগত কর্তব্য সম্পাদন করা উচিত। সংশ্লেষ: পূর্ববর্তী শ্লোকসমূহে আত্মার অপরিবর্তনীয়তা বর্ণিত হইয়াছে। পরবর্তী শ্লোকে দৃষ্টান্তসহকারে তাহাই বর্ণিত হইবে।